ক্যাম্পাসের হারিয়ে যাওয়া সুর, গল্প ও আবেগ ধরে রাখার পাশাপাশি প্রবীণ ও নবীন সংগীতশিল্পীদের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ‘কেইউজিশিয়ান’-এর ভাবনায় গড়ে ওঠা এ বিশেষ প্রকল্পে ১৯৯৬-২০২৬ ব্যাচের ৩০ জনেরও বেশি প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই সংগীত চক্রের এ আয়োজনের মূল আকর্ষণ একটি মৌলিক ইনস্ট্রুমেন্টাল ট্র্যাক। এক বাবার সন্তানের প্রতি অনুভূতির সুর থেকে থিমটির সূচনা হলেও পরে এতে যুক্ত হয় গিটার, বেজ, ড্রামস ও কিবোর্ডের ঝংকার। একই সঙ্গে দোতারা, শাঁখ, খমক ও ক্ল্যারিনেটের মতো দেশী-বিদেশী বাদ্যযন্ত্রের নান্দনিক ব্যবহারে ফুটে উঠেছে অনন্য এক সুরের অবয়ব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪টিরও বেশি ডিসিপ্লিনের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিয়েছেন, যাদের অনেকেই এখন প্রবাসে কর্মরত। আয়োজকরা জানান, প্রবীণ শিল্পীদের জন্য এটি যেমন ছিল এক নতুন রেকর্ডিং অভিজ্ঞতা, তেমনি তরুণদের জন্য ছিল যৌথ সংগীতায়োজনের এক বাস্তব শিক্ষাক্ষেত্র।
আয়োজকদের ভাষ্যমতে, উপযুক্ত মহড়াকক্ষ কিংবা পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ছাড়াই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে টিকে আছে ব্যান্ড সংগীতের ধারা। শিক্ষার্থীদের শ্রম ও ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এ আয়োজন।










