গত শুক্রবার হলিউড বক্স অফিসে শীর্ষে ছিল সিনেমাটি। ডিজনি ও পিক্সারের যৌথ প্রযোজনায় এসেছে টয় স্টোরি ফাইভ। সিনেমাটি উত্তর আমেরিকার ৪ হাজার ৪২৫টি প্রেক্ষাগৃহ থেকে শুক্রবার আয় করেছে ৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। অধিকাংশ বিশ্লেষকের ধারণা, সপ্তাহ শেষে আয় দাঁড়াবে প্রায় ১৫ কোটি ডলারে। তবে কিছু পূর্বাভাস বলছে, এ অংক ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।

তবে দেখা যাচ্ছে, সর্বনিম্ন আয়ের পূর্বাভাসও যদি সত্যি হয়, ফ্র্যাঞ্চাইজির সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমায় পরিণত হবে টয় স্টোরি ফাইভ। কেননা টয় স্টোরি ফোর আয় করেছিল ১২ কোটি ডলার। টয় স্টোরি ফাইভ নির্মাণে খরচ হয়েছে ২৫ কোটি ডলার। এর সঙ্গে রয়েছে বিপণন ব্যয়।

টয় স্টোরি ফাইভে দেখা যাবে বাজ, উডি ও জেসি একটি শিক্ষামূলক স্মার্ট ট্যাবলেট ‘লিলিপ্যাড’-এর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। কেননা বনি নামের শিশুটির সঙ্গে তাদের খেলার সময় দখল করে নেয়ার হুমকি সৃষ্টি করেছে ট্যাবটি। মূলত নতুন ও আধুনিক প্রযুক্তি কীভাবে পুরনোদের প্রতিস্থাপন করতে পারে তা নিয়েই সিনেমার গল্প।

সিনেমার কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে ফিরে এসেছেন টম হ্যাংকস, টিম অ্যালেন ও জন কুসাক। নতুন সংযোজন হিসেবে রয়েছেন গ্রেটা লি, কিয়ানু রিভস, ক্রেইগ রবিনসন, অ্যালান কামিং, কোনান ও’ব্রায়ান ও ব্যাড বানি। এ সপ্তাহে আরো একটি সিনেমা ছিল। দ্য ডেথ অব রবিন হুড। তবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি সিনেমাটি। ১ হাজার ৭৮২টি প্রেক্ষাগৃহ থেকে মুক্তির দিনে মাত্র ১১ লাখ ডলার আয় করেছে সিনেমাটি। সপ্তাহ শেষে সিনেমাটির আয় প্রায় ২৫ লাখ ডলারে পৌঁছতে পারে। মাইকেল সারনোস্কি নির্মাণ করেছেন দ্য ডেথ অব রবিন হুড।

হলিউড বক্স অফিসে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্টিভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত ডিসক্লোজার ডে। শুক্রবার উত্তর আমেরিকায় আয় করেছে ৪৯ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সপ্তাহ শেষে আরো ১ কোটি ৭২ লাখ ডলার যোগ হতে পারে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৬১ শতাংশ কম। এতে উত্তর আমেরিকা থেকে সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়াবে ৭ কোটি ৮৪ লাখ ডলারে। নির্মাণ ও বিপণন মিলিয়ে প্রায় ২০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে।

সূত্র: ভ্যারাইটি