নাটকের পরিচিত মুখ অলংকার চৌধুরী। নিয়মিত অভিনয়ের পাশাপাশি একটি চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশ পেয়েছে তার অভিনীত নাটক ‘কোহিনুর চেয়ারম্যান’-এর তৃতীয় কিস্তি।
নাটকটি নিয়ে অলংকার চৌধুরী বলেন, ‘এ নাটকের প্রথম কিস্তি দর্শক ভালোবেসেছিল বলেই দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তি এসেছে। আগের দুটি কিস্তির মতো এবারো দর্শক কোহিনুর চেয়ারম্যান চরিত্রটিকে ভালোভাবে গ্রহণ করছে। কোহিনুর কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করে না। সে সততার সঙ্গে বিচার করে। সাধারণ মানুষের পাশে থাকে। দর্শক কোহিনুরের এ গুণ খুব ভালোভাবে গ্রহণ করে।’
কাজের ক্ষেত্রে একঘেয়েমি এড়িয়ে চলতেই মাঝের কিছু সময় নাটক থেকে দূরে ছিলেন অলংকার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি নিজে থেকেই বিরতি নিয়েছিলাম। কোনো কিছুতে একঘেয়েমি লাগার আগেই আমি সরে দাঁড়াই। যেমন এখন ঠিক করেছি মিউজিক ভিডিও কম করব। এর মধ্যে খুব ভালো কিছু করার প্রস্তাব এলে ভেবে দেখব। যখন অভিনয় করতে করতে একঘেয়েমি লেগেছিল তখনই নাচের দিকে মনোযোগী হয়েছিলাম, নাটক বাদ দিয়ে গানচিত্রে ঝুঁকেছিলাম।’
অলংকারের অভিনয়জীবনে নাটকের অবদানও কম নয়। নাটকই তাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, ‘আমি যখন একটু একটু করে কাজ শুরু করেছিলাম, তখন ‘‘ভালো রেখো তোমায়’’ নাটকটি আসে একদম নতুন একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে। কয়েকদিনের মধ্যেই ৫০ লাখের মতো ভিউ পায় নাটকটি। পাঁচ হাজারের বেশি মন্তব্য আসে এ নাটক নিয়ে। বেশির ভাগ মানুষই আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেছিল। সেই শুরু। এরপর একের পর এক নাটকের প্রস্তাব আসতে থাকে। এমনকি এর পরই গানচিত্রে মডেল হওয়ার ডাক আসতে শুরু করে।’
নাটক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও নিজের কিছু নির্দিষ্ট বিষয়কে গুরুত্ব দেন অলংকার। কোনো নাটক হাতে নেয়ার আগে গল্প, পরিচালক ও নিজের চরিত্রকে সবার আগে বিবেচনায় রাখেন তিনি। অলংকার বলেন, ‘অনেকে সহশিল্পীদের কথা আগে ভাবেন। জনপ্রিয় কোনো সহশিল্পী হলে গল্প কী, পরিচালক কে, নিজের চরিত্র কী, সেদিকে খেয়াল করেন না। আমি সবার আগে এগুলোই খেয়াল করি। সবার শেষে গিয়ে সহশিল্পীর কথা হয়তো শুনি, নইলে না।’
বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয়ের আগ্রহও রয়েছে তার। এরই মধ্যে সাব-ইন্সপেক্টরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অলংকার। এবার ট্রাফিক পুলিশের চরিত্রে কাজ করার ইচ্ছা তার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি সাব-ইন্সপেক্টরের চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে ট্রাফিক পুলিশের চরিত্র করার ইচ্ছা অনেক। এর আগে মেহজাবীন চৌধুরী আপু ‘আলো’ নামে একটা নাটকে এ চরিত্র করেছিলেন। তখন থেকেই আমার খুব ইচ্ছা ট্রাফিক পুলিশ হয়ে ক্যামেরার সামনে কাজ করি।’
ছোট পর্দার পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন অলংকার। তার অভিনীত ‘মুক্তির ছোট গল্প’ সিনেমার শুটিং শেষ হয়েছে বেশ আগে। এখন সিনেমাটির মুক্তির অপেক্ষায় আছেন তিনি।










