ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো আবেগ বা অন্ধ দলীয় আনুগত্যকে প্রশ্রয় দেব না। আমার প্রথম বিবেচ্য বিষয় হবে প্রার্থীর ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও সততা। যাকে ভোট দিচ্ছি, তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার মতো যোগ্য কিনা, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততা কেমন; সেটি আমি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করব। পাশাপাশি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দমনে প্রার্থীর ব্যক্তিগত অবস্থান এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তার সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবমুখী পরিকল্পনা আমার ভোটের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে। এছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট দলের সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাদের গ্রহণযোগ্যতাকেও আমি বিশেষ গুরুত্ব দেব।

​নির্বাচিত সরকারের কাছে একজন তরুণ ভোটার হিসেবে আমার প্রধান দাবি থাকবে বেকারত্ব দূরীকরণ এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। ভুলে গেলে চলবে না, যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তারা কিন্তু জুলাই আন্দোলনের এক গণআকাঙ্ক্ষার ফসল হিসেবেই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাবে। তাই এ আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে বিগত বছরগুলোর গুম, খুন ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।