মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের সাতগাঁও এলাকায় গত শনিবার দুর্ঘটনাকবলিত তেলবাহী ট্রেনের ওয়াগন ও ইঞ্জিন উদ্ধার ও লাইন মেরামতের ২৩ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। গতকাল বেলা ১১টায় লাইন পুনরায় চালু করা হয়। এরপর দুপুরে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছেড়ে যায়। তবে দুর্ঘটনাকবলিত স্থানে চলাচলকারী ট্রেনের গতি কমিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রেলওয়ে।

শনিবার দুপুর ১২টায় শ্রীমঙ্গলের সাতগাঁও এলাকায় তেলের ওয়াগনবাহী ট্রেনের একটি অতিরিক্ত ইঞ্জিনসহ পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এরপর সিলেটের সঙ্গে দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও একটি ছোট কালভার্ড ও প্রায় ২০০ ফুট রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের ওয়াগন থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল পড়ে যায়। তেলভর্তি চারটি ওয়াগনের মধ্যে তিনটি লাইন থেকে ছিটকে নিচে পরে যায়। মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ক্ষতিগ্রস্ত এই তিনটি ওয়াগনে ১ লাখ ৬০ হাজার লিটার ডিজেল ও কেরোসিন ছিল।

তথ্যটি নিশ্চিত করে রেলওয়ের সিনিয়র সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার দুলাল চন্দ্র দাশ বলেন, কুলাউড়া ও আখাউড়া থেকে বগি মেরামতকারী ইঞ্জিন এসে লাইনের ওপর ছিটকে পড়া ওয়াগনগুলো সরিয়ে লাইন মেরামতের পর বেলা ১১টা থেকে চালু করা হয়েছে। সকালে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছেড়ে এসেছে। বাকি ট্রেনগুলো এখন শিডিউল অনুযায়ী চলবে।