ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল নজরদারি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণ চলাকালে কেন্দ্রের যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে রিপোর্ট এবং দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা পেতে ‘নির্বাচন সুরক্ষা’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা হবে। এ লক্ষ্যে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের অ্যাপটির ইউজার হিসেবে যুক্ত করা হচ্ছে। এরইমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সকল রিটার্নিং কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠানের সময় ভোটকেন্দ্রে সংঘটিত যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে রিপোর্ট করা ও দ্রুত সহায়তা প্রাপ্তির জন্য 'নির্বাচন সুরক্ষা' অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা হবে। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ও আনসার অ্যাপ্লিকেশনটির এন্ড ইউজার হিসেবে কাজ করবেন।

এতে আরো বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে সংঘটিত যেকোনো অনাকাক্ষিত ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে রিপোর্ট করা হলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকার রেসপন্ডার (আইনশৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনী/সশস্ত্র বাহিনী) এর মোবাইল ফোনে এসএমএস ও অ্যাপ্লিকেশনে নোটিফিকেশন এর মাধ্যমে পৌঁছে যাবে এবং তারা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। এ বিষয়ে এরইমধ্যে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের 'নির্বাচন সুরক্ষা' অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এন্ড ইউজার হিসেবে প্রিজাইডিং অফিসারদের অ্যাপ্লিকেশনে সংযুক্ত করা প্রয়োজন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসারগণকে 'নির্বাচন সুরক্ষা' অ্যাপ্লিকেশনে এন্ড ইউজার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করানো ও এর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণে রিটার্নিং অফিসার/সহকারী রিটার্নিং অফিসার/উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।