ইশতাহারগুলোয় তরুণদের কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা বলা হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ বলে মনে হয়। স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং, আইটি খাত ও উদ্যোক্তা তৈরির মতো বিষয়গুলো বারবার উঠে আসছে, যা ইতিবাচক। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আমি তাদের অতীত কর্মকাণ্ড, বাস্তব অভিজ্ঞতা ও বাস্তবায়নের সদিচ্ছাকেও বিবেচনায় নিচ্ছি। এছাড়া ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে আমি রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে গুরুত্ব দেব। একই সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং মেধার ভিত্তিতে সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টি আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচিত সরকারের কাছে প্রত্যাশা থাকবে, তারা যেন তরুণদের জন্য বাস্তবভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়। এর মধ্যে যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নিয়োগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিক্ষা ও গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো অন্যতম। একই সঙ্গে নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সমান সুযোগ ও দক্ষতা উন্নয়নের কার্যকর উদ্যোগ জরুরি।
পাশাপাশি উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী তরুণদের জন্য সহজ ঋণ, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করাই হবে একটি দায়িত্বশীল সরকারের প্রতি তরুণদের প্রধান প্রত্যাশা।














