পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও শাশুড়িকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে বাদল খান নামে এক যুবক। ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের দাওয়া গ্রামের খান বাড়িতে সোমবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার (৫ মে) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের খান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, চম্পা বেগম (৩৫) এবং তার মা বিলকিস জাহান (৭০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধাওয়া গ্রামের মৃত আজিজ খানের ছেলে বাদল খানের সঙ্গে চাচাতো বোন চম্পা বেগমের ১০ দিন আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই চম্পাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বাদল। চম্পাকে বিয়ে করার আগে বাদল আরো তিনটি বিয়ে করেন। তার নির্যাতনে আগের তিন স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়।
সোমবার রাতে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও বৃদ্ধ শাশুড়িকে গলা কেটে হত্যা করে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেন বাদল। এ সময় ঘরে থাকা বাদলের দ্বিতীয় স্ত্রীর শিশু সন্তান ইয়াসি ঘর থেকে পালিয়ে পাশের বাড়ির লোকজনকে জানালে তারা এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। এ সময় বাদল পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহমদ আনওয়ার জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্তের পরে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।










