ঢাকা-১৮ আসনের জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলের ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ জোটের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম বলেছেন, নারীদের অধিকার রক্ষায় ঘর ও কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করা হবে। নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; এটি নারীর মৌলিক অধিকার। নারীরা নিরাপদ ও সম্মানিত না হলে দেশের সার্বিক অগ্রগতি কখনোই সম্ভব নয়।
বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উত্তরার দক্ষিণখান থানার মোল্লারটেক কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দক্ষিণখান থানার মহিলা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এক মহিলা সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা-১৮ আসনের নারীদের জন্য পরিকল্পনার বিষয়ে আরিফুল ইসলাম বলেন, নারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিবহন সার্ভিস চালু করা হবে, গণপরিবহনে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এছাড়া নারীদের জন্য বিভিন্ন জায়গায় স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নির্বাচন নয়; এটি ভারতসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের আধিপত্যবাদ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন বলে জানান আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে- সকল হত্যাকান্ডের বিচার নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার করা ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেয়া। পাশাপাশি সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলাই ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’-এর অঙ্গীকার।
বিএনপির সমালোচনা করে আরিফুল ইসলাম বলেন, দেশে বর্তমানে বিএনপি সন্ত্রাসকে প্রতিপালন করছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাদের হামলার শিকার শুধু আমরা নই; দীর্ঘদিন ধরে যারা তাদের সঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছে, জেল-জুলুম সহ্য করেছে- তারাও আজ বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলায় আহত ও নিহত হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তাদের দেড় শতাধিক নেতাকর্মী নিহত হয়েছে। যারা নিজেদের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ, তারা দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করবে?
সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দক্ষিণখান পশ্চিম থানা আমীর আবু সাঈদ শাহনাওয়াজ, নায়েবে আমীর মো. মামুন ও সেক্রেটারী আলী হোসাইন মুরাদ এবং মহিলা বিভাগের উত্তরা পূর্ব জোন পরিচালিকা মর্জিনা খাতুন ও দক্ষিণখান পশ্চিম থানা সেক্রেটারী ফাতেমা ইয়াছমিন রুমা।














