কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদী থেকে আবারো ট্রলারসহ সাত বাংলাদেশী জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। তবে জেলেদের নাম-ঠিকানা জানা যায়নি। সাগর থেকে মাছ ধরা শেষে টেকনাফে ফেরার পথে গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শাহপরীর দ্বীপের নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।
ট্রলার মালিক ও জেলেদের দাবি, গত ২০ দিনে ৩৩ জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে রোববার দুটি ট্রলারসহ ১৪ জেলে, শনিবার ১২, ১২ আগস্ট পাঁচ ও ৫ আগস্ট বিহিঙ্গি জাল এবং নৌকাসহ দুই জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে আরাকান আর্মি ২৪৪ বাংলাদেশী জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে আরাকান আর্মির সদস্যরা বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ শিকার শেষে ফেরার পথে বাংলাদেশী ট্রলারসহ জেলেদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে। গত তিনদিনে চারটি ট্রলারসহ ৩৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। ওই এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
এদিকে গতকাল বেলা দেড়টায় বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার শেষে টেকনাফে ফেরার পথে নাফ নদীর মোহনায় মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির ধাওয়ায় ট্রলার ডুবে গেছে। তবে সাত জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শাহপরীর দ্বীপের বদরমোকামের গরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালীয়া ঘাটে ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম।
উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন সুলতান আহমদ, নূর কবির, কবির আহমদ, আলী হোসেন, সোনা মিয়া, গফুর আলম ও আব্দুল আমিন মাঝি।










