নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় নারায়ণগঞ্জে দুই ছাত্রলীগ নেতা ও দুই ইউপি সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি। গতকাল নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে কমিটির সভাপতি সিনিয়র সহকারী জজ শেখ আনিসুজ্জামান তাদের তলব করে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
শোকজ করা চারজনের মধ্যে ‘নৌকায় ভোট দিতে হবে, নয়তো পানি-গ্যাস-বিদ্যুৎ থাকবে না’—এমন বক্তব্য দেয়া রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ ভূঁইয়া মাসুমও রয়েছেন। অন্য তিনজন হলেন কায়েতপাড়া ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সমসের আলী ও একই ইউপির ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নারী সদস্য রিতা আক্তার এবং কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাদিম হোসেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, ‘ছাত্রলীগ নেতা মাসুমকে তার বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য তলব করা হয়েছে। অন্য তিনজনের বিরুদ্ধে পোস্টার ছিঁড়ে কর্মীদের মারধর ও হুমকি দেয়ার অভিযোগ করেন তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার। তাদের ব্যাখ্যা ও অভিযোগ অনুসন্ধানের পর বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
বিতর্কিত বক্তব্য দেয়া ছাত্রলীগ নেতা মাসুমকে পুলিশ খুঁজছে বলে জানান পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল।










