দীর্ঘ পাঁচমাস পর ১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দর্শনার্থীরা সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন। সুন্দরবনের ইকো-টুরিজম কেন্দ্রগুলোকে ভ্রমন উপযোগী করতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন বনরক্ষীরা। আজ সোমবার সকালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে গত ৩ এপ্রিল থেকে সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। 

মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য মানতে হবে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি। প্রত্যেককে মাস্ক পরিধান করে প্রবেশ করতে হবে। নৌযান থেকে মাত্র ২৫ জন করে গ্রুপ ভাগ করে বনে প্রবেশ করতে হবে। যারা এ সব শর্ত ভঙ্গ করবেন অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে বন বিভাগ।

সুন্দরবন প্রবেশে অনুমতি দেয়ার খবরে খুশি হয়েছেন ট্যুর অপারেটররা। তারাও নিজেদের নৌযান ধুয়ে-মুছে,ত্রুটি সারিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।

পর্যটন ব্যবসায়ী দ্যা সাউদার্ন ট্যুরস এর স্বত্তাধিকারী মো. মিজানুর রহমান বলেন, করোনা মহামারীর কারণে দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ থাকায় আমাদের ব্যবসা বন্ধ ছিল। এ খাতে কাজ করা বিপুল পরিমান জনশক্তি বেকার অবস্থায় ছিল। মানবেতর জীবন যাপন করেছেন তারা। ১ সেপ্টেম্বর সুন্দরবন খুলে দেয়ার খবরে আমরা খুব খুশি হয়েছি। সরকার ও বন বিভাগের নির্ধারিত বিধি নিষেধ মেনেই ট্যুর পরিচালনা করার কথা জানান তিনি।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বলেন, দর্শনার্থী ও ট্যুর অপারেটররা এসব বিধি নিষেধ বাস্তবায়ন করছেন কি না তা নজরে রাখতে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা থাকবেন সতর্ক অবস্থায়।

তিনি আরও বলেন, আগামী বুধবার সুন্দরবনে দর্শনার্থীদের প্রবেশ উপলক্ষে বনের ইক্যোট্যুরিজম কেন্দ্রগুলোকে প্রয়োজনীয় সংস্কারসহ নানা কাজ করা হচ্ছে । দর্শনার্থীদের যাতে কোন সমস্যা না হয় সে দিকেও সজাগ দৃষ্টি রয়েছে বন বিভাগের।