এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত আইজিপি গাজী জসীম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ নেতারা এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, বেপজা ও কলকারখানা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের ডিআইজি অপারেশন অ্যান্ড ক্রাইম মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, ডিআইজি অ্যাডমিন হারুন-উর-রশিদ হাযারী, ডিআইজি ইন্টেলিজেন্স মো. জুলফিকার আলী হায়দার প্রমুখ।

গাজী জসীম উদ্দিন সভায় ঈদুল আজহার ছুটি শুরু হওয়ার আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের জন্য ব্যবসায়ী নেতাদের অনুরোধ জানান। বেতন-বোনাসের দাবিতে কোনোভাবেই শ্রমিকরা যেন সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে না পারেন এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের ইউনিট প্রধানদের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ সংগঠনের নেতাদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। এ বিষয়ে সরকার প্রদত্ত নির্দেশনা যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নিদের্শনা দেন। এছাড়া পুলিশ কর্মকর্তাদের সরকারি অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার তাগিদ দেন।

বিজিএমইএর সহসভাপতি রেজওয়ান সেলিম বলেন, ‘সাব-কন্ট্রাক্ট ফ্যাক্টরিগুলোর প্রতি সরকারের বিশেষ নজরদারি রাখা প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিজিএমইএ তদারক করবে।’

বিকেএমইএর পরিচালক মো. বেলায়েত হোসেন রিপন বলেন, ‘শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণে আমরা বদ্ধপরিকর। তবে স্বার্থান্বেষী শ্রমিক নেতাদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ফ্যাক্টরি চালানো অসম্ভব।’ রাতের বেলায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়ায় পুলিশি টহল আরো জোরদার করার অনুরোধ জানান তিনি।

সভায় বক্তারা বলেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ সময়ে পরিস্থিতি অনেকটাই আশাব্যঞ্জক।