নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদী থেকে বালি উত্তোলন বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গত ১০ এপ্রিল বণিক বার্তায় ‘নাটোরে পদ্মা নদীতে অবাধে বালি উত্তোলন, নীরব প্রশাসন’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ আমলে নিয়ে এ নির্দেশ দেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক মো. আবু সাঈদ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ সুপারকে এ নির্দেশ দেন। এছাড়া লালপুরের ওপর দিয়ে বহমান যেকোনো নদী থেকে বালি উত্তোলন করা হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি আগামী  ৫ জুনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্যও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজু আহমেদ জানান, গত ১০ এপ্রিল বণিক বার্তায় ‘নাটোরে পদ্মা নদীতে অবাধে বালু উত্তোলন, নীরব প্রশাসন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদটি বিশ্লেষণ করে স্বপ্রণোদিত হয়ে আদালত প্রাথমিক অনুসন্ধানে কারা বালি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত তা খুঁজে বের করার জন্য পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এছাড়া তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তকালে আসামিদের শনাক্তকরণ, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ, ঘটনাস্থলের খসড়া মানচিত্র ও সূচিপত্র প্রস্তুতের পাশাপাশি অবৈধ বালি উত্তোলনের কাজে ব্যবহূত যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে তা জব্দ করার নির্দেশ দেন। আদেশে নাটোরের লালপুরের ওপর দিয়ে বহমান অন্য যেকোনো নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করা হলে তা বন্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।  

পিবিআই পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন বলেন, আদালতের আদেশের কপি এখনো হাতে পাইনি। আদেশের কপি হাতে পেলে তদন্ত কাজ শুরু করা হবে। নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী বালি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেয়া হবে।