নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মতিউর রহমান মতি ওরফে মতি বাঙ্গাল এবং ঠিকাদার শরিফুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

গতকাল দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোসলেম উদ্দিন পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে শুনানি শেষে চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন। আগামী ১৮ জুলাই মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

এর আগে বালি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন নাটোর পুলিশ চ্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক নিতাই কুমার সাহা। ছয় পাতার ওই তদন্ত প্রতিবেদনে পদ্মা নদী থেকে বালি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত স্থানীয় ঠিকাদার শরীফুল ইসলাম, নাটোর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মতিউর রহমান ওরফে মতি বাঙ্গাল, বনপাড়ার ঠিকাদার আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং  মোস্তফা বেপারীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

গত ১০ এপ্রিল বণিক বার্তায় পত্রিকায় ‘নাটোরে পদ্মা নদীতে অবাধে বালি উত্তোলন, নীরব প্রশাসন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদটি আদালতের নজরে এলে নাটোরের সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ স্বপ্রনোদিত হয়ে মামলা গ্রহণ করে নাটোর পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।