কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সম্প্রতি সহিংসতার ঘটনায় খুলনা কারাগারের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কারাগার ও আশপাশ এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। কারারক্ষীসহ কর্মরতদের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে। আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে কয়েদিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ। গতকাল বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন খুলনা জেলা কারাগারের সুপার মো. রফিকুল কাদের।

কারাগার সূত্রে জানা গেছে, খুলনা কারাগারে বন্দির ধারণক্ষমতা রয়েছে ৬৭৬ জন। তবে বর্তমানে কারাগারে ১ হাজার ৪২১ জন বন্দি রয়েছে। এর মধ্যে হত্যাসহ বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি ও নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার আসামিরাও রয়েছে।

সরজমিনে দেখা গেছে, কারাগারের প্রধান ফটকসহ সর্বত্র নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থায় থাকতে দেখা গেছে। কারাগার এলাকায় চলাচলেও বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

কারাগার সুপার মো. রফিকুল কাদের বলেন, ‌‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কারাগারের সব স্টাফের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। কয়েদিদের সঙ্গে স্বজনদের মোবাইলে কথোপকথন ও সাক্ষাৎও বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্দিদের ওপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। কারাগারের অভ্যন্তরেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সবাই নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। কারাগারের প্রধান ফটকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনার আশঙ্কা নেই।’