চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় দুর্গত এলাকায় সাপের কামড়ে অন্তত ৭৫ জন আহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত সাপের কামড়ে কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। আজ রোববার জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোর নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে থাকায় সাপের উপদ্রব বেড়েছে। ফলে সাপে কাটার ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোয় অ্যান্টিভেনমসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন আরো জানান, বন্যাদুর্গত এলাকায় বিশেষ মেডিকেল টিম কাজ করছে। এসব দল দুর্গত এলাকায় গিয়ে চিকিৎসাসেবা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করছে। পাশাপাশি অন্তঃসত্ত্বা নারী ও অসুস্থ শিশুদের দ্রুত নৌকাযোগে হাসপাতালে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বন্যার কারণে বাঁশখালী ও বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বুকসমান পানি ওঠলেও আগেই চিকিৎসা সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আনোয়ারা, লোহাগাড়া, পটিয়াসহ অন্যান্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাভাবিকভাবে চিকিৎসাসেবা চলছে।
এদিকে চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিভাগ দুর্গত এলাকার মানুষকে সাপের কামড় এড়াতে রাতে চলাচলে সতর্ক থাকার, পানিতে নামার আগে লাঠি দিয়ে জায়গা পরীক্ষা করার এবং সাপে কাটলে কোনো ধরনের ঝাড়ফুঁক বা বিলম্ব না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।










