নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা আমি দেখি না৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে৷’ গতকাল বিকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা রূপগঞ্জ উপজেলার পিতলগঞ্জে প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার রাতে কাঞ্চনে সংঘর্ষের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘রূপগঞ্জের কাঞ্চনে সরকারদলীয় দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে যেভাবে সংঘর্ষ হয়েছে, যেভাবে রামদা, দেশী-বিদেশী অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়েছে, এখন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ছি। জনমনে তো আতঙ্ক ঢুকে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘সরকারি দলের মধ্যেই যদি অস্ত্র প্রদর্শন শুরু হয়, যদি ব্যবস্থা নেয়া না হয়, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী রক্ষা করতে পারবেন না৷, আমাদের নিরাপত্তা তিনি দিতে পারবেন না,৷ তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন যে হবে না, বিরোধী দলের এ কথা প্রমাণিত হবে।’
সারা দেশে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থীরা ‘এমপি বাহিনী দ্বারা’ বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন, রাতের আঁধারে পোস্টার খুলে ফেলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তৈমুর আলম খন্দকার। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীরা “এমপি বাহিনীর” দ্বারা বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন, পোস্টার লাগাতে দিচ্ছে না, লাগানো পোস্টার খুলে ফেলা হচ্ছে,৷ চনপাড়াতে আমার পোস্টার লাগাতে দেয়নি। নির্বাচন কমিশন কি শুধু শোকজ করবে নাকি অ্যাকশনেও যাবে, সেটা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি৷ তারপর সংবাদ সম্মেলন করে আমরা জাতির সামনে সব তুলে ধরব।’
সেনাবাহিনীকে নির্বাচনকালীন বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানিয়ে তৈমুর আলম বলেন, ‘যেখানে সন্ত্রাস সেখানে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা সেনাবাহিনীকে দিতে হবে।৷ ২০১৮ সালেও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। কিন্তু তারা ছিল কেবল সাক্ষীগোপাল। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কেবল ডানে-বাঁয়ে ঘুরেছে, কারো অভিযোগ শোনেনি। ব্যবস্থাও নেয়নি। কারণ তাদের সে ক্ষমতা দেয়া হয়নি।’










