কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের একটি বাড়ি থেকে রেশমা খাতুন (২৮) নামে এক নারী ও তার তিন বছরের মেয়ে লামিয়া খাতুনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে তাদের নিজ বাড়ি থেকে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পদ্মাতীর ইনসাফনগর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছোট্ট লামিয়া বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিল। কিন্তু পরিবারে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তার চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। তবে এ বিষয়ে রেশমার পরিবারের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানায়, রেশমার স্বামী রহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে রয়েছেন। সংসারের খরচ পাঠাতেন না তিনি। নিয়মিত খোঁজখবরও নিতেন না। এতে পরিবারে দারিদ্র্য ও মানসিক চাপ চরমে পোঁছায়। ধারণা করা হচ্ছে, পরিস্থিতির শিকার হয়ে রেশমা প্রথমে মেয়েকে হত্যা করেন এবং পরে নিজে আত্মহত্যা করেন।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ মন্ডল বলেন, স্বামী থেকে আর্থিক সহায়তা না পাওয়া এবং মানসিক চাপের কারণে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
দৌলতপুর থানার ওসি মো. সোলাইমান শেখ জানান, আর্থিক সংকট, শিশুর অসুস্থতা এবং পারিবারিক অশান্তিই এ ঘটনায় ভূমিকা রেখেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তাদের মরদেহ শুক্রবার সকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এর রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।










