বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আসছে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের রায়ে আমরা বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।’
গতকাল রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, এলডিপি ও লেবার পার্টির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। আসছে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের রায়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক একটি কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে করণীয় কী হবে তা নিয়ে আন্দোলনের শরিক জোট ও দলের সঙ্গে এ বৈঠক করেন তারেক রহমান। বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, প্রায় ২ ঘণ্টার এ বৈঠক ছিল রুদ্ধদ্বার। বৈঠকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং করণীয় বিষয়ে আলোচনার কথা বলা হলেও বিস্তারিত কিছু জানাননি বৈঠকে অংশ নেয়া কোনো নেতা। বিগত ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী’ আন্দোলন ১২ দল নিয়ে ‘১২ দলীয় জোট’ এবং ১১ দল নিয়ে ‘জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট’ বিএনপির সঙ্গে যুগপৎভাবে অংশ নেয়।
বৈঠকে ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক মোস্তফা জামাল হায়দার, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ফরিদুজ্জামান ফরহাদ নিজ নিজ জোটের নেতৃত্ব দেন।
অন্যদিকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ ও লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান নিজ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন।
দুই জোটের অন্য নেতাদের মধ্যে বিএলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিকল্পধারা বাংলাদেশের নুরুল আমিন বেপারী, ইসলামী ঐক্যজোটের এমএ রকিব, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার খন্দকার লুৎফুর রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু উপস্থিত ছিলেন।
১২ দলীয় জোটের শরিকরা হলো জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), এলডিপি, বাংলাদেশ জাতীয় দল, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, জাগপা একাংশ, লেবার পার্টির একাংশ, কল্যাণ পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, ইসলামিক পার্টি, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টি, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল।
জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের শরিকরা হলো ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), জাগপার একাংশ, ডেমোক্রেটিক লীগ (ডিএল), বাংলাদেশ ন্যাপ, বিকল্পধারা, সাম্যবাদী দল, গণদল, ন্যাপ ভাসানী, ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশ, পিপলস লীগ ও বাংলাদেশ সংখ্যালঘু জনতা পার্টি।










