বাড়ি ফেরা জেলেরা জানান, গত রোববার রাতে পূর্ব সুন্দরবনের আলোরকোল এলাকা থেকে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী ১১ জেলেকে অপহরণ করে। পরে তাদের পায়ে শিকল বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে। অপহরণের তিনদিনের মাথায় প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক দস্যু গ্রুপ শরীফ বাহিনী জাহাঙ্গীর বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি করে ১১ জেলেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে শরীফ বাহিনী তাদের সুন্দরবনের অজ্ঞাত একটি স্থানে আটকে রাখে।
ফিরে আসা জেলে রুবেল হাওলাদার জানান, তিনিসহ আরো ১০ জেলেকে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী ৩ মে রাতে সুন্দরবনের আলোরকোল এলাকা থেকে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করে। ৫ মে শরীফ বাহিনী জাহাঙ্গীর বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি করে তাদের জাহাঙ্গীর বাহিনীর কবল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সুন্দরবনের অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে। পরে মুক্তিপণ পেয়ে শরীফ বাহিনী শুক্রবার ভোরে নৌকায় করে ১১ জেলেকে সুন্দরবনের ধানসাগর আড়ুয়াবয়ার নদীর মোহনায় নামিয়ে দিয়ে যায়।
শরণখোলা থানার ওসি মো. শামিনুল হক বলেন, ‘সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে ১১ জেলে ফিরে আসার খবর আমরা শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’










