নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে চাকরিপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভের জেরে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ে শূন্যপদে জনবল নিয়োগ কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্তে এ স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়। গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি জানান, কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার রাতে বিজ্ঞপ্তি আকারে স্থগিতাদেশটি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় নিয়োগ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে রাতে নিয়োগ স্থগিতের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অনিবার্য কারণবশত ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রাখা হলো। পরবর্তী করণীয় বিষয়ে যথাসময়ে সংশ্লিষ্টদের জানানো হবে।’
নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে গত শনিবার সকাল থেকেই সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। একপর্যায়ে তারা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। প্রায় ৭ ঘণ্টা পর তালা খোলা হয়।
২০১৮ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর ১১৫টি পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হলেও সে প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পুনরায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর আওতায় ৯৭ জন স্বাস্থ্য সহকারী, তিনজন পরিসংখ্যানবিদ, একজন কোল্ড চেইন প্রযুক্তিবিদ, চারজন স্টোরকিপার, একজন সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, পাঁচজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং চারজন চালক নিয়োগের কথা ছিল। শুক্রবার সকাল ১০টায় শহরের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় আট হাজারের বেশি প্রার্থী অংশ নেন।
তবে অভিযোগ ওঠে, কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন ও জেনারেল হাসপাতালের আরএমও যোগসাজশ করে ৪০ জনকে পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন দেখিয়ে দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্ষোভ শুরু করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা।










