বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচন প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে উল্লেখ করে বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার একটা সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে। আসুন আমরা সবাই মিলে অন্তত এ জায়গাতে ঐক্যবদ্ধ হই যে একটা সুন্দর, সুষ্ঠু নির্বাচন। সবার অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য একটা নির্বাচন করে আমরা একটা গণতান্ত্রিক সরকার ও গণতান্ত্রিক পার্লামেন্ট গঠন করি। যার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের সব সমস্যাকে তুলে ধরতে পারব। পার্লামেন্টে আলাপ হবে। সেই পার্লামেন্টে সিদ্ধান্ত হবে। সেটাই হবে জনগণের সিদ্ধান্ত।’

গতকাল কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মাল্টিপারপাস হলে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষায় কেয়ারটেকারগণের দেশ ও জাতি গঠনের অগ্রণী ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যক্রমে গত ১০ বছর ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে পরাজিত করার জন্য তাদের দৃশ্যমান কোনো কাজ দেখিনি। এই মহল রাজনৈতিক অঙ্গনে দাঁড়াতে পারছিল না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তাদের সুযোগ করে দেন রাজনৈতিক অঙ্গনে আসার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে শুনতে পাই, ছাত্রলীগের মধ্যে তারা ঢুকেছিল, শুনেছি আমার জানা নাই। এ ধরনের কাজ তো আমরা করতে পারি না। আমরা সরাসরি, সামনাসামনি লড়াই করেছি।’

পিআর পদ্ধতি নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটা রাজনৈতিক দল সমানে চিৎকার করেছে পিআর দিতে হবে, পিআর না হলে নির্বাচন হবে না। এখন সুর নরম হয়ে গেছে। দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনের জন্য চতুর্দিকে দৌড়, ঢাকঢোল চলছে। এ জিনিসগুলো ঠিক না। মানুষকে বোকা বানিয়ে ভুল পথে পরিচালিত করা ইসলাম ধর্মের কোথাও বলেছে, এটা আমার জানা নাই। এখানে কিছুক্ষণ আগে একজন বললেন যে, জামায়াতের টিকিট কাটলে জান্নাতের টিকিট কাটা হবে। এটা কোথায় আছে? আমাকে বলুক তারা, দেখিয়ে দিক। এটা ঠিক না। ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা নিয়ে নেয়া।’