আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচ্যাম) উদ্যোগে ‘অ্যাডভান্সিং দ্য আইপিআর ফ্রেমওয়ার্ক: দ্য ওয়ে ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক ব্রেকফাস্ট মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় দ্য ওয়েস্টিন, ঢাকায় এটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ ইকোসিস্টেমের রূপান্তরে মেধা সম্পদ অধিকারের (আইপিআর) গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অ্যামচ্যামের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ দেশের ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী আইপিআর প্রয়োগের কৌশলগত প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, একটি নিরাপদ আইপিআর কাঠামো দেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়ানোর পাশাপাশি বৈশ্বিক আমদানিকারক ও প্রবর্তকদের বাংলাদেশ থেকে পণ্য সোর্সিং করার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস জোগাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইউএস অ্যাম্বাসি নয়াদিল্লির সিনিয়র কমার্শিয়াল স্পেশালিস্ট অ্যান্ড আইপি পলিসি অ্যাডভাইজর (সাউথ এশিয়া) শিল্পী ঝা বলেন, সরকারের জন্য এখন বাংলাদেশের আইপি কাঠামো শক্তিশালী করা, বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে সহায়তা করার একটি উপযুক্ত সুযোগ। তিনি আইপিআর প্রয়োগের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন এবং কর্মকর্তাদের পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক, কপিরাইট ও ভৌগোলিক নির্দেশকের (জিআই) মধ্যে সহজেই পার্থক্য করতে সাহায্য করার জন্য একটি বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের সুপারিশ করেন।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা আইপিআর সুরক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত দেন। বক্তারা বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে শক্তিশালী আইপিআর ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।
এতে অ্যামচ্যামের নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী কায়সার মোহাম্মদ রিয়াদ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আল-মামুন এম রাসেল (কোষাধ্যক্ষ), মির্জা সজিব রায়হান, ইউএস অ্যাম্বাসির কমার্শিয়াল কাউন্সেলর পল ফ্রস্ট, সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।










