নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদী থেকে বালি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন নাটোর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বৃহস্পতিবার বিকালে পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক নিতাই কুমার সাহা ছয় পাতার এই তদন্ত প্রতিবেদন নাটোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদের আদালতে জমা দেন। তদন্ত প্রতিবেদনে লালপুরে পদ্মা নদী থেকে বালি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত লালপুর উপজেলার বালিতিতা এলাকার স্থানীয় ঠিকাদার শরীফুল ইসলাম, দক্ষিণ লালপুর এবং নাটোর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মতিউর রহমান ওরফে বাঙ্গাল, বনপাড়ার মেসার্স আরাফাত ট্রেডার্সের মালিক ঠিকাদার আব্দুল্লাহ আল মামুন ও বড়াইগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর এলাকার মোস্তফা বেপারীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি রাস্তা কেটে বালি পরিবহন করায় অন্তত লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আগামীকাল এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বণিক বার্তায় ‘নাটোরে লুট হচ্ছে পদ্মার লাখ লাখ টাকার বালি’
শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। ওই সংবাদটি আদালতের নজরে এলে নাটোরের সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা গ্রহণ করে নাটোর পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে কারা বালি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত তা খুঁজে বের করার পাশাপাশি তদন্তকালে আসামিদের শনাক্ত, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ, ঘটনাস্থলের খসড়া মানচিত্র ও সূচিপত্র প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।
এছাড়া লালপুরের ওপর দিয়ে বহমান যেকোনো নদী থেকে বালি উত্তোলন করা হলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অবৈধ বালি উত্তোলনে ব্যবহূত যন্ত্রপাতি জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।










