নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা এলাকায় বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতদের স্মরণে তল্লা বড় জামে মসজিদসহ নগরীর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। 

শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে মোনাজাতে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। জুমার নামাজের পর শত শত মুসল্লি দোয়ায় অংশ নেন।

গত শক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এ দুর্ঘটনার পর থেকে বিধস্ত বাইতুস সালাত জামে মসজিদে নামাজ আদায় বন্ধ রয়েছে। মসজিদ নিয়ে গ্যাস লিকেজ হয়ে কোন জায়গায় দিয়ে গ্যাস নির্গত বা বুঁদবুঁদ বের হয় কিনা তা দেখার জন্য মসজিদের ভেতরে পানি দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত দুই দিন ধরে পানি মসজিদের ভেতরে দিয়ে রাখলেও কোন বুঁদবুঁদ লক্ষ্য করা যায়নি।

তল্লা এলাকায় শুক্রবার সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় তল্লা বড় মসজিদে। সেখানে নামাজে ইমামতি এবং দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মুফতি ওমর ফারুক। হতাহতদের পাশাপাশি তাদের স্বজনা যাতে এই শোক কাটিয়ে উঠতে পারেন তার জন্যেও মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়। এর আগে বিস্ফোরণে নিহত যে পরিবার অসহায় গরীব তাদের সহযোগিতা করার স্থানীয় গ্রামবাসী টাকা তোলেন।

এছাড়া জেলার বিভিন্ন এলাকার মসজিদেও দোয়া এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয় বলে খবর পাওয়া গেছে। 

৪ সেপ্টেম্বর মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরো পাঁচজন। একজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। 

এদিকে মামলার তদন্তভার হাতে পেয়েই সিআইডি পুলিশ তদন্ত শুরু করেছেন।  তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর বাবুল হোসনে বলেন, মামলাটি চাঞ্চল্যকর। এই  মামলায় সিআইডি পুলিশ সব দিক বিবেচনা করে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোর্পদ করা হবে।