গণতন্ত্রবিরোধী একটি মহল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিলম্বিত করতে এখনো ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘একদিকে নির্বাচনের কথা বলছে, অন্যদিকে বিভ্রান্তি ও বাধা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে একটি গোষ্ঠী। বাংলাদেশের জনগণ এটা মানবে না।’
গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে জিয়া পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ অভিযোগ করেন তিনি।
বিএনপির এ স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘গণতন্ত্রবিরোধী চক্রটি চায় না দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসুক। কারণ গণতন্ত্র না থাকলে কিছু মহল লাভবান হয়। কারা লাভবান হয়, তা আপনারা জানেন। ফলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই এখনো শেষ হয়নি। সুষ্ঠু নির্বাচনই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি, যেটির জন্য দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার মতো জোরজবরদস্তি করবেন না। আমরা সাংঘর্ষিক রাজনীতি চাই না। সহনশীল রাজনীতির পথে চলছি। দ্বিমত পোষণ করলেও অন্যের মতকে সম্মান করতে হবে। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী তারা জনগণের কাছে যাবে। কিন্তু গোলটেবিল বৈঠক করে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেবেন না, এটা অগণতান্ত্রিক। বিএনপি এবং গণতন্ত্র একে অপরের পরিপূরক। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছি। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাকে মনোনয়ন দেয়া হবে, তার হয়ে কাজ করতে হবে। ভালো-মন্দ বিচার করা জনগণের কাজ। নির্বাচন যুদ্ধে জিততে হবে, নাহলে গণতন্ত্র হেরে যাবে।’
তিনি আহ্বান রেখে বলেন, ‘একদিকে নির্বাচন নিয়ে কথা হচ্ছে, অন্যদিকে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। অগণতান্ত্রিক ও জোরজবরদস্তিমূলক পদ্ধতিতে দাবি আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যের দাবি দেশ ও জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টাও লক্ষ করা যাচ্ছে, যা বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। কারো দাবি থাকলে তা নির্বাচনী ইশতেহারে তুলে ধরে জনগণের কাছে যেতে হবে, অন্যের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা নয়। জোরজবরদস্তি করে শেখ হাসিনার পথে চলবেন না।’










