এছাড়া ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবকের নাম নীরব আহমেদ। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার বাদুরগাছি গ্রামের আলিমুর বিশ্বাসের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল রাতে বোতলে তেল নিতে আসেন যুবক নীরব হোসেন। এ সময় পাম্পের কর্মচারীরা তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। যুবক নীরব কিছুক্ষণ পর আবারো তাজ ফিলিং স্টেশনে আসে। এ সময় অন্য এক ব্যক্তিকে বোতলে তেল দেয়া দেখে প্রতিবাদ করেন তিনি। এ সময় পাম্পের কর্মচারীরা লাঠি দিয়ে নীরবকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। সেখান থেকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পাম্পের তিন কর্মচারীকে আটক করেছে র‌্যাব।

এদিকে পাম্প কর্মীদের হামলায় যুবক নিহতের খবরে পড়লে শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তাজ ফিলিং স্টেশনের মালিকানাধীন আরেকটি পাম্পে উত্তেজিত জনতা ভাংচুর চালায়।

নিহত নীরবের খালাতো ভাই সোহেল হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই সাধাসিধে মানুষ। মোটরসাইকেলের তেল নিতে গিয়ে পাম্পের কর্মীদের সঙ্গে তার সামান্য কথাকাটাকাটি হয়। কিন্তু পাম্পের কর্মীরা সন্ত্রাসী কায়দায় লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে আমার ভাইকে খুন করেছে। আমি হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ হোসেন বলেন, ‘নীরব নামে এক যুবক পাম্পে তেল নিতে আসে। এ সময় পাম্পের কর্মীরা বাগবিতণ্ডার জেরে ওই যুবককে পিটিয়ে আহত করে। পরে ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পাম্পের তিন কর্মীকে আটক করা হয়েছে। পাম্পে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’