সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ রায়কে বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ রায় বলে আখ্যা দিয়েছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। মগবাজারে দলীয় কার্যালয়ে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায়ের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে এবং তারা ভোটাধিকার ফিরে পাবেন।’
দীর্ঘ শুনানির পর সুপ্রিম কোর্টের এ রায় সবার মনে সন্তুষ্টি ও স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। তাই রায়কে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেন, ‘যে রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়েছিল, সেটি ছিল বিতর্কিত। এর ফলেই শেখ হাসিনা স্বৈরাচার হওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করলে যে পক্ষপাতমূলক নির্বাচন হয়, তা বিগত নির্বাচনগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই বোঝা যায়। এসব কলঙ্কিত নির্বাচন ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছে।’
জামায়াতের এ সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার রূপকার ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১৯৮৩ সালের ২০ নভেম্বর রাজধানীতে এক সমাবেশে এ ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছিল।’
সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে গণতন্ত্র ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসবে বলে মনে করে জামায়াত। মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘যেহেতু চতুর্দশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায়, তাই আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বশীল অবস্থান প্রত্যাশা করে আমাদের দল।’ আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বিগত দিনের মতো পাতানো করতে চাইলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন জামায়াতের এ সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।










