নাটোরের লালপুরে ইমো হ্যাকিং চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসব হ্যাকার প্রবাসীদের ইমো হ্যাক করে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল। গতকাল দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এ তথ্য জানান।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, গতকাল ভোরে উপজেলার পাইকপাড়া বাজারে পুলিশের নিয়মিত টহল টিম অবস্থানকালে জানতে পারে স্থানীয় জোতগৌরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের দক্ষিণ কোণে একদল ইমো হ্যাকার অবস্থান করছে। তারা ইমো হ্যাক করে কণ্ঠ পরিবর্তনের মাধ্যমে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও প্রদর্শন করে প্রতারণার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে কৌশলে অর্থ আদায় করছে। এ সময় সেখানে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টাকালে নয়জনকে হাতেনাতে ধরে পুলিশ। এ সময় আরো তিন-চারজন পালিয়ে যায়।
আটককৃতরা হলো উপজেলার গণ্ডবিল গ্রামের আকবর আলীর ছেলে সাহেব ইসলাম, মণিহারপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে শাকিল, মোহরকয়া গ্রামের ইনছার মণ্ডলের ছেলে সাহাবুল ইসলাম, মণিহারপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রুবেল ওরফে জয়, বাকনাই গ্রামের আরজ আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম, মণিহারপুর গ্রামের চঞ্চল কুমারের ছেলে চন্দন কুমার, মহারাজপুর গ্রামের মৃত জব্বার মণ্ডলের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, একই গ্রামের নাজিম মণ্ডলের ছেলে আশরাফুল ইসলাম ও শিশু আসামি মোখলেছুর রহমানের ছেলে রাজু হোসেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে আটটি স্মার্টফোন ও সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার আরো জানান, প্রবাসীরা সচেতন না হওয়ার কারণে ইমো হ্যাকিং চক্র প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এজন্য তাদের ইমো সফটওয়্যার ব্যবহার না করার জন্য জানানো হয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোনোয়ারুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।










