রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব বলেছেন, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হচ্ছে। প্রতিটি মৌখিক পরীক্ষায় বিভাগভিত্তিক প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করা হচ্ছে। কেউ যদি এই নীতির বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করে থাকেন, তাহলে তাদের এর ফলও ভোগ করতে হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পরীক্ষায় নতুন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পরিচিতির ভিত্তিতে কোনো সুবিধা নেই। কোনো সুপারিশের মাধ্যমে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগও নেই।
উপাচার্য বলেন, পরীক্ষায় নতুন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পরিচিতির ভিত্তিতে কিছু হয় না। কোনো ধরনের সুপারিশে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগ নেই।
শিক্ষার্থীদের অশালীন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে সবাই মত প্রকাশের স্বাধীনতা পেয়েছে। তবে দায়িত্বশীলতার জায়গায় শিক্ষার্থীরা যে প্রতিচ্ছবি দেখানো উচিত, তা দেখা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে অশ্লীল ও হীন ভাষা ব্যবহার লজ্জাজনক। নারী-পুরুষ বিভেদ সৃষ্টিকারী মন্তব্য শুধুমাত্র তাদের নিজের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মইন উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ মো. মতিয়ার রহমান ও জনসংযোগ কর্মকর্তা অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন মজুমদার।










