গতকাল চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যাকবলিত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে।’
গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় শতভাগ গবাদিপশুকে এফএমডি (খুরা রোগ) প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে। ছয় মাস আগে যেসব পশুকে টিকা দেয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সেগুলোকেও পুনরায় টিকা দেয়া হবে।’
সরকারি সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সব সহায়তা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে এবং কেউ যেন বঞ্চিত না হন। বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান “জিরো টলারেন্স”। কোথাও অনিয়ম বা অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’










