মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার চা শিল্পের প্রসার—এ স্লোগানকে নিয়ে মৌলভীবাজারে আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা, চা ও চা সামগ্রী প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো উদযাপিত হয়েছে জাতীয় চা দিবস।
গতকাল সকালে শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে বের করা হয় শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি চা গবেষণা কেন্দ্রের ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকা ঘুরে আবার চা গবেষণা কেন্দ্রে গিয়ে শেষ হয়। পরে চা গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ চা সংসদের সিলেট অঞ্চলের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী। চা গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শেফালী বুনার্জীর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র এএসপি মো. শহিদুল হক, হবিগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মাহবুবুর রহমান ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী।
আলোচনা সভা শেষে চা গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশে আবিষ্কৃত ২৩টি চায়ের জাত। এদিকে গতকাল দুপুরে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে শ্রীমঙ্গল লেবার হাউজে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের ৪ জুন বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। দেশে চা শিল্পকে এগিয়ে নিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সেই দিনকে স্মরণ করে মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দিনটিকে ‘জাতীয় চা দিবস’ ঘোষণা করে সরকার। এবারই প্রথমবারের মতো জাতীয় চা দিবস উদযাপিত হচ্ছে।










