নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন ও শ্রম আইনের সংশোধনসহ ১১ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক সংহতি।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া মিলনায়তনে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের ১ বছর: ১১ দফা শ্রমিক আকাঙ্ক্ষা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ দাবিগুলো তুলে ধরে সংগঠনটি।

সভায় বক্তারা গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির ১১ দফার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে বলেন, সরকারের জুলাই ঘোষণা বা সনদে শ্রমিকদের আকাঙ্ক্ষা পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি। এমনকি ঐক্যমত কমিশনের শ্রম ও নারীবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশও আমলে নেয়া হয়নি। বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে শ্রমিকের আকাঙ্ক্ষা জান-জীবিকা ও জবানের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

তারা আরো বলেন, এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শ্রম খাতকে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে পৌছানোর অঙ্গীকার করছে। কিন্তু এখনো শ্রম আইনের যথাযথ সংশোধন সম্পন্ন হয়নি। এমনকি কমিশনের সুপারিশও বাস্তবায়ন হয়নি। তাই নির্বাচনী ডামাডোলে প্রবেশ করার আগে সরকারকে উদ্যোগী হয়ে দৃশ্যমান ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শ্রম কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন ও শ্রম আইন সংশোধনের আহ্বান জানান বক্তারা।

আলোচকরা আরো বলেন, পোশাকখাতসহ শ্রম খাতের উন্নয়ন করতে হলে শ্রমিকের জীবনমান বদলাতে শ্রমিকপক্ষে আইন, মজুরি, মতপ্রকাশ ও সংগঠন করার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কেবল কারখানার বা মালিকের উন্নয়নে শ্রমখাত উন্নয়ন হবে না।