অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত হিসেবে লুৎফে সিদ্দিকীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।  

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, লুৎফে সিদ্দিকী আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন উপদেষ্টা পদমর্যাদার বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

লুৎফে সিদ্দিকী ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের অ্যাডজাংক্ট প্রফেসর এবং লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্সের ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সিএফএ ইনস্টিটিউটের রিজিয়নস ও সোসাইটি রিলেশন বিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন লুৎফে সিদ্দিকী। এ সংস্থার সিনিয়র পদে দায়িত্ব পাওয়া প্রথম বাংলাদেশী তিনি।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ইয়র্ক থেকে লুৎফে সিদ্দিকী ইকোনমেট্রিক্সে প্রথম শ্রেণীতে স্নাতক ও লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে ইকোনমিক্সে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

তিনি এর আগে ইউবিএস ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকে এফএক্স, রেট এবং ক্রেডিট-এর উদীয়মান বাজারের বিশ্ব প্রধান এবং বার্কলেস ব্যাংকের একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।

২০১২ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম তাকে একজন তরুণ গ্লোবাল লিডার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, যেখানে তিনি পুঁজিবাজার, অবকাঠামো বিনিয়োগ, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক ঝুঁকি সম্পর্কিত কাউন্সিল এবং স্টিয়ারিং গ্রুপগুলোতে ভূমিকা রাখেন।

তিনি কয়েক বছর ধরে দাভোসে অফিসিয়াল প্রোগ্রামসহ এক ডজনেরও বেশি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ইভেন্টে কথা বলেছেন।

লুৎফে এলএসই সিস্টেমিক রিস্ক সেন্টার, এনইউএস সেন্টার ফর গভর্নেন্স এবং ইউডব্লিউসি আটলান্টিক কলেজ এবং এনসিসি লন্ডনের গভর্নিং বোর্ডের উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে সিআইপি মনোনীত করে।