আজ ৫৫তম বিশ্ব মান দিবস। পণ্য ও সেবার মানের বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। ‘সমন্বিত উদ্যোগে টেকসই উন্নত বিশ্ব বিনির্মাণে মান’—এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এ বছর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হতে যাচ্ছে।
বিশ্ব মান দিবস উপলক্ষে জাতীয় মান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে বিএসটিআইয়ের উদ্যোগে প্রধান কার্যালয়ের পাশাপাশি বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়গুলোয় আলোচনা সভাসহ প্রচার-প্রচারণার আয়োজন করা হয়েছে। বিটিআরসির মাধ্যমে বিভিন্ন মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড লাগানো হচ্ছে।
বিশ্বব্যাপী এসডিজির গোলগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত একই প্রতিপাদ্যে বিশ্ব মান দিবস পালন করা হবে। এ বছর এসডিজির গোল-৩ অর্থাৎ স্বাস্থ্য খাতকে ফোকাস করা হয়েছে। বিশ্বায়নের যুগে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মূলে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ব্যবস্থা, রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় যোগ করেছে নতুন মাত্রা।
ডিজিটাল উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি মানুষের জীবন ব্যবস্থাকে করেছে আরো উন্নত, সহজতর, নিরাপদ ও সুরক্ষিত। এ পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হলে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় তথা বাজারজাতের ক্ষেত্রে ‘মান’ আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করে। পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও সেবা প্রদানসহ সব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ অপরিহার্য। —বিজ্ঞপ্তি










