বিশ্ব আয়োডিন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) আয়োজিত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় দেশে আয়োডিন ঘাটতি দূর করতে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া হয়েছে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিকের চেয়ারম্যান জনাব আশরাফ উদ্দীন আহাম্মদ খান। এ সময় বক্তারা আয়োডিনের অভাবজনিত নানা শারীরিক সমস্যা যেমন গলগণ্ড, বামনত্ব এবং মানসিক বিকাশে বাধা উল্লেখ করেন।
আলোচনায় জানা যায়, আয়োডিন ঘাটতির সমাধানে বিসিক ১৯৯০ সাল থেকে সর্বজনীন আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বর্তমানে দেশের ৭৬ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করছে। তবে এখনও ২৪ শতাংশ পরিবার এ সুবিধার বাইরে রয়েছে।
বিসিকের চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের লক্ষ্য দেশের প্রতিটি পরিবারকে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহারের আওতায় আনা। এজন্য জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরো জানান, আয়োডিনযুক্ত লবণের মান নিয়ন্ত্রণ এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে বিসিক।
বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ যদি আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করে, তাহলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহারে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।
আয়োডিন ঘাটতির সমস্যা দূর করতে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। তবে জনসচেতনতা বাড়াতে আরো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।










