ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানে চলতি অর্থবছরে অতিরিক্ত কর আরোপ করার ফলে ব্যবসায়ীদের খরচ বৃদ্ধি পাবে এবং সরাসরি প্রভাব পড়বে দ্রব্যমূল্যে। সরকার যেখানে মূল্যস্ফীতি এবং কস্ট অব বিজনেস কমানোর চেষ্টা করছে, সেখানে এ খাতে অতিরিক্ত কর আরোপ করা হলে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক। আজ রোববার চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে চেম্বার কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চিটাগাং চেম্বারের সভাপতি বলেন, দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখছে এ সংস্থা। চেম্বারের সদস্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ সংস্থার যেকোনো যৌক্তিক সমস্যার সমাধানে চেম্বার কাজ করে যাবে।
আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির নেতারা বলেন, আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি শিশু খাদ্য, ঔষধ শিল্পের কাঁচামাল, জরুরি দুর্যোগ পরিস্থিতিতে সরকারি ত্রাণ পরিবহন করে থাকে এ সেক্টর। ২০১৯ সাল পর্যন্ত এসআরও জারির মাধ্যমে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের অগ্রিম আয়কর (এআইটি) নির্ধারণ করা হলেও বিগত কয়েক অর্থবছরে শুধুমাত্র এনবিআরের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ইচ্ছামত এআইটি নির্ধারণ করা হচ্ছে।
তারা আরো বলেন, চলতি অর্থবছরে ড্রাম ট্রাক, খোলা ট্রাক, ১২ চাকার গাড়ির ক্ষেত্রে ২৪ হাজারের পরিবর্তে ৩৫ হাজার টাকা, ৫ টনের অধিক ট্রাক কাভার্ডভ্যান ১৬ হাজারের পরিবর্তে ৩০ হাজার, দেড় টনের অধিক ট্রাক কাভার্ডভ্যান লরিতে ৯ হাজার ৫০০ টাকার পরিবর্তে ১৫ হাজার টাকা এবং দেড় টনের অধিক নয় এমন ট্রাক কাভার্ডভ্যান ও লরিতে ৪ হাজারের পরিবর্তে ৭ হাজার ৫০০ টাকা এআইটি নির্ধারণ করা হয়েছে। নেতারা অযৌক্তিক করহার বাতিল করে সব গাড়ির আয়কর ১০ হাজার টাকা এবং ট্যাক্সটোকেন শতকরা ৫০ ভাগ কমানোর জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি।
সভায় চেম্বার সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মসিউল আলম স্বপন, পরিচালক মো. জাহিদুল হাসান, আসাদ ইফতেখার, মোহাম্মদ শফিউল আলম, আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি একেএম নবীউল হক সুমন ও আজহারুল হক আজাদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান রুবেল উপস্থিত ছিলেন।










