কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যদি দ্রুত প্রসারিত হয় তবে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের অধিকাংশ চাকরির দখল নিতে পারে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা)। যুক্তরাষ্ট্রের লুইসভিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের অধ্যাপক রোমান ইয়াম্পোলস্কি এক পডকাস্টে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। খবর এনডিটিভি।
এআই নিরাপত্তা বিষয়ে অভিজ্ঞ রোমান ইয়াম্পোলস্কি সতর্ক করে বলেছেন, আসন্ন অটোমেশনের প্রভাব থেকে কেউই রক্ষা পাবে না। তার মতে, এ প্রযুক্তি প্রায় সব ধরনের চাকরি কেড়ে নিতে সক্ষম।
দ্য ডায়েরি অব এ সিইও পডকাস্টে তিনি বলেন, আমরা এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছি, যেখানে বেকারত্বের মাত্রা হবে নজিরবিহীন। এর পেছনের কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, সম্ভবত ২০২৭ সালের মধ্যেই মানবসদৃশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স (এজিআই) চলে আসবে। এটি পুরো বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান কর্মসংস্থান কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনতে পারে।
তার মতে, এজিআই চলে আসার মাত্র তিন বছরের মধ্যেই বৈশ্বিক শ্রমবাজার ধসে পড়তে পারে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, তখন এআই টুলস ও মানবসদৃশ রোবট এতটাই উন্নত হবে যে মানুষকে নিয়োগ দেয়া অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক হয়ে যাবে।
উদাহরণ টেনে ইয়াম্পোলস্কি বলেন, যদি মাত্র ২০ ডলারের একটি সাবস্ক্রিপশন কিংবা ফ্রি এআই মডেল দিয়েই একজন কর্মীর পুরো কাজ সেরে ফেলা যায়, তাহলে প্রতিষ্ঠান কেন মানুষকে বেতন দেবে? প্রথমে যেসব কাজ কম্পিউটারে করা সম্ভব, সেগুলো পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় হয়ে যাবে। এরপর পাঁচ বছরের মাথায় মানবসদৃশ রোবট শারীরিক শ্রমও কেড়ে নেবে। অর্থাৎ অফিস থেকে কারখানা—সব জায়গায় প্রায় অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়বে মানুষ।










