কমনওয়েলথ ছোটগল্প পুরস্কারের চলতি বছরের আসরে শর্ট লিস্টে স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশী দুই লেখক আনমনা মনীষিতা ও সাজিদ উল হক আবির।
কমনওয়েলথ পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পাওয়া আনমনা মনীষিতার ছোটগল্পের শিরোনাম ‘আ ম্যাসকুলিন ফেস্ট’। গল্পটি ১৯৫০-এর দশকের পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রচিত। একজন তরুণী বাঙালি মুসলিম নারীর অপ্রত্যাশিত বাস্তবতার সাথে মানিয়ে চলার কাহিনি এটি।
আবিরের গল্পের শিরোনাম ‘মফিজের রিলেশন স্পার্ক নাই’। গল্পটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন অরুণাভ সিনহা ও শবনম নাদিয়া। স্ত্রীর সঙ্গে দরিদ্র মফিজের সম্পর্কের জটিলতা, ভাঙন এবং প্রাণ ও পরিবেশ নিয়ে লেখা হয়েছে গল্পটি।
আনমনা মনীষিতা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক এবং ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডে সম্পাদকীয় সহকারী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন তিনি।
সাজিদ উল হক আবির কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। আবির পেশায় ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক, প্রকাশ হয়েছে ১১টি বই।
বিশ্বের ৭৮০৬ জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে ২৫ জন লেখককে সংক্ষিপ্ত তালিকায় নির্বাচিত করা হয়েছে। এশিয়া অঞ্চলের বিজয়ীর নাম ১৩ মে ঘোষণা করা হবে। সামগ্রিকভাবে বিজয়ীর নাম প্রকাশ হবে জুনের শেষ নাগাদ।
কমনওয়েলথভুক্ত পাঁচটি অঞ্চলের দেশগুলোর লেখকদের অপ্রকাশিত ছোটগল্পে ওপর বার্ষিক এ পুরস্কার দেয়া হয়। ২০২৬ সালের সংস্করণের জন্য লেখাগুলো গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১ নভেম্বর অনলাইনে জমা নেয়া হয়েছিল। প্রতিযোগিতায় পাঁচজন আঞ্চলিক বিজয়ী নির্বাচিত হন, যাদের মধ্যে একজনকে সামগ্রিক বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং পুরস্কার হিসেবে তিনি পান ৫ হাজার পাউন্ড। আর বাকি চারজন প্রত্যেককে দেয়া হয় আড়াই হাজার পাউন্ড করে।
এর আগেও কমনওয়েলথ ছোটগল্পের পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় বাংলাদেশী গল্প স্থান পেয়েছে। তবে চূড়ান্ত পর্বের টিকিট মেলেনি।










