সামান্য কাটাছেঁড়ায় হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি দীর্ঘক্ষণ রক্তক্ষরণ হয়ে মারাও যেতে পারে।
সঠিক: সব রক্তক্ষরণই জীবনের জন্য হুমকি নয়। হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের পেশি ও অস্থিসন্ধিতে ক্ষত বা রক্তপাত হতে পারে, যা ঘন ঘন হলে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।
হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর কেটে গেলে বা আঁচড় লাগলে শুধু বাহ্যিক রক্তপাত হয়।
সঠিক: হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের শরীরের অভ্যন্তরে বিনা কারণেই রক্তপাত হতে পারে। হাঁটু, গোড়ালি ও কনুই অস্থিসন্ধি সাধারণত বেশি আক্রান্ত হয়।
হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের আয়ু কম হয়।
সঠিক: সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা স্বাভাবিক আয়ুর প্রত্যাশা করতে পারেন।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হিমোফিলিয়া ‘এ’ ভালো হয়।
সঠিক: হিমোফিলিয়া ‘এ’ হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণজনিত ব্যাধি (আজীবন থাকতে পারে)। হিমোফিলিয়া–‘এ’-এর কারণ শরীরের প্রোটিন ফ্যাক্টর এইটের ঘাটতি। যেটা সাধারণত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভালো হয় না।
আক্রান্ত সব শিশুরই হিমোফিলিয়ার পারিবারিক ইতিহাস থাকে।
সঠিক: যদিও হিমোফিলিয়া জিনগত একটি ব্যাধি, তবে এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে এটি কোনো কারণ ছাড়াই হয়।
কেবল ছেলে বা পুরুষই এ রোগে আক্রান্ত হয়।
সঠিক: যেহেতু হিমোফিলিয়ার জিনটি এক্স ক্রোমোজোমের সঙ্গে যুক্ত, তাই হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীই পুরুষ। তবে কিছু বিরল ক্ষেত্রে এটি নারীদেরও হতে পারে।
আয়রন, নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন ও বাদাম হিমোফিলিয়ার প্রতিকার করতে পারে।
সঠিক: এখন পর্যন্ত হিমোফিলিয়ার কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। বর্তমানে কেবল রক্তে অনুপস্থিত ক্লটিং ফ্যাক্টর এইট প্রতিস্থাপন এ রোগের চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।
হিমোফিলিয়া আক্রান্ত প্রত্যেকেরই একই লক্ষণ দেখা যায়।
সঠিক: রক্তে ফ্যাক্টর এইটের অনুপাতের ওপর ভিত্তি করে লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে, যেটাকে হালকা, মাঝারি ও গুরুতর এ তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
হিমোফিলিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি কোনো খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে পারে না।
সঠিক: সঠিক চিকিৎসাপ্রাপ্ত হিমোফিলিয়া রোগী সাঁতার বা দৌড় প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলায় অংশ নিতে পারেন। তবে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করা উচতি না।
সব ধরনের হিমোফিলিয়া ‘এ’ ক্লটিং ফ্যাক্টর এইটের স্বল্পতা/ঘাটতির কারণে হয়।
সঠিক: হিমোফিলিয়া ‘এ’ ক্লটিং ফ্যাক্টর এইটের স্বল্পতা বা ঘাটতির কারণে হয়। হিমোফিলিয়া ‘বি’ ক্লটিং ফ্যাক্টর নাইনের স্বল্পতা বা ঘাটতির কারণে হয়।
হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত সবাই অস্থিসন্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে পঙ্গু হয়ে পড়েন।
সঠিক: হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য সুখবর হলো এটি প্রতিরোধ করা যায়। চিকিৎসার মাধ্যমে অস্থিসন্ধির ঘন ঘন রক্তপাত ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি রোধ করা যেতে পারে।









