আর্থ্রাইটিস: মাম্পসে আক্রান্ত হলে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট ফুলে যায় ও ব্যথা করতে পারে। তবে সুস্থ হওয়ার পর এ ব্যথা সেরে যায়।

ওফোরাইটিস: এ রোগে আক্রান্ত হলে সাধারণত বমি বমি ভাব, ব্যথা ও জ্বর দেখা দিতে পারে। অনেকে এটিকে অ্যাপেনডিসাইটিস ভেবে ভুল করে।

স্তন ব্যথা (মাস্টাইটিস): যদি মাম্পস ভ্যাকসিন না দেয়া হয় তাহলে গর্ভবতী নারীদের ৩০ শতাংশ মাস্টাইটিসে আক্রান্ত হতে পারে। তবে ভ্যাকসিন দেয়ার পর এ সংখ্যা ১ শতাংশে নেমে এসেছে।

প্যানক্রিয়াটাইটিস: অগ্ন্যাশয় সাধারণত খাদ্য হজম করতে এবং রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। মাম্পস আক্রান্ত হলে এ অঙ্গটি সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এর কারণে পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং জ্বর হতে পারে।

মেনিনজাইটিস: এর কারণে মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। যার কারণে জ্বর হতে পারে এবং মাথা ও ঘাড় শক্ত হওয়ার মতো উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে। মাম্পসে আক্রান্ত ব্যক্তি যাদের চোয়াল ও ঘাড় ফুলে যায় তাদের মধ্যে ১০ শতাংশ মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়।

শ্রবণশক্তি হ্রাস: মাম্পসে আক্রান্ত কিছু লোক তাদের শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলে। অনেক ক্ষেত্রে এ সমস্যা স্থায়ী হয়ে যায়।

এনকেফালাইটিস: মাম্পস আক্রান্ত এক হাজার জনের মধ্যে অন্তত একজনের মস্তিষ্কে প্রদাহ হয়। এনকেফালাইটিস খিঁচুনি এবং কোমায় (চেতনা হারানো) যেতে পারে এবং যার কারণে ব্যক্তির জীবনও হুমকির মধ্যে পড়তে পারে।