ভাইরাল জ্বর, যা ভাইরাল ফিভার নামেও পরিচিত, বিভিন্ন ভাইরাস সংক্রমণের কারণে হয়। রাইনোভাইরাস, করোনাভাইরাস, অ্যাডেনোভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, এন্টারোভাইরাসসহ অনেক সাধারণ ভাইরাল জ্বরের কারণ রয়েছে। এ রোগ সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ঋতু পরিবর্তনের সময়, যখন আবহাওয়া হঠাৎ গরম থেকে ঠাণ্ড বা ঠাণ্ডা থেকে গরম এবং আর্দ্র হয়ে যায়। এ ধরনের জ্বর সাধারণত ৭-১০ দিন স্থায়ী হয়; যদি সক্রিয়ভাবে চিকিৎসা করা হয় তাহলে এটি দ্রুত উন্নতি করবে। তবে বাবা-মায়েদের ব্যক্তিগতভাবে চিন্তা করা উচিত নয়, কারণ রোগটি খুব দ্রুত অগ্রসর হয়; যদি চিকিৎসা না করা হয় তাহলে এটি বিপজ্জনক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। শিশুদের মধ্যে ভাইরাল জ্বর প্রতিরোধের ব্যবস্থা—

 শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অভিভাবকদের সুষম, পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ানো উচিত।

 ক্ষতিকারক পদার্থের প্রবেশ রোধ করার জন্য বাড়ি এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার এবং ভালোভাবে বায়ু চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

 শিশুদের স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করে তোলা। যেমন খাবারের আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পরে হাত ধোয়া এবং তাদের মুখে খেলনা রাখা থেকে বিরত রাখুন।

 শিশুদের ক্ষেত্রে সময়মতো টিকা দেয়া।

 সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সংক্রমিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেয়া বা জনাকীর্ণ স্থান থেকে দূরে সরে যাওয়া।

এর পরও ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত হলে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা এবং সম্ভাব্য জটিলতা প্রতিরোধের জন্য সক্রিয় ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হয়। যেমন শিশু ক্লান্তি বোধ করা, শরীর ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হওয়া, মাথাব্যথা, লাল চোখ বা কাশির মতো লক্ষণগুলো দেখায়। অভিভাবকদের সময়মতো পরামর্শ এবং যত্নের জন্য তাদের একটি নামি চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।