ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হতে হবে। এ কারণে আক্রান্ত হওয়ার পর রোগীকে সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। যে ধরনের খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—

 ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ তাজা ফল ও শাকসবজি। যেমন পালংশাক, কমলা, মাল্টা, লেবু, আঙুর ইত্যাদি।

 পেশি আরো শক্তিশালী ও মজবুত করে এমন খাবার খাওয়া জরুরি। যেমন হাঁস, মাছ। চর্বি নেই এমন খাবারের জন্য মটরশুঁটি খাওয়া যেতে পারে।

 ডায়েটে শস্যদানা জাতীয় খাবার রাখা। যেমন গম, ওটস, চাল, ভুট্টা।

 ম্যালেরিয়াজনিত রক্তস্বল্পতা মোকাবেলায় লাল মাংস, শাকসবজি ও মটরশুঁটির মতো আয়রন সমৃদ্ধ খাবার।

 ডিহাইড্রেশন রোধ করতে প্রচুর পানি পান এবং অন্যান্য তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে।

ম্যালেরিয়ায় কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত

ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। যে ধরনের খাবার শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সে ধরনের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—

চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার: চিনিযুক্ত খাবার যেমন ডেজার্ট, সোডা ও চিপস, কুকিজ এবং পেস্ট্রির মতো প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে আনতে হবে। অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়।

উচ্চ চর্বিযুক্ত ও তেলে ভাজা খাবার: ভাজা ও উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ সীমিত করতে হবে। এ ধরনের খাবার হজমে সমস্যা করে।

অ্যালকোহল: ম্যালেরিয়া চিকিৎসার সময় অ্যালকোহল গ্রহণ করা যাবে না। অ্যালকোহল ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে আনে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়।

ক্যাফেইন: ক্যাফেইন গ্রহণ সীমিত করা জরুরি। কারণ এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এছাড়া অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়।

কাঁচা বা কম রান্না করা খাবার: খাদ্যবাহিত সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে কাঁচা বা কম রান্না করা মাংস, সামুদ্রিক খাবার, ডিম ও পাস্তুরিত না করা দুগ্ধজাত দ্রব্য খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।