এ অবস্থায় শরীরের কোষে একটি ক্রোমোজোম সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অনুপস্থিত থাকে। ফলে শারীরিক বৃদ্ধি, প্রজনন ক্ষমতা ও কিছু অঙ্গের বিকাশে প্রভাব পড়তে পারে।
টার্নার সিনড্রোমে আক্রান্ত নারীদের বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ডিম্বাশয় ঠিকমতো কাজ করে না। ফলে ডিম্বাণু উৎপাদন কম বা অনুপস্থিত হতে পারে। এ কারণে স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষ করে মোজাইক ধরনের টার্নার সিনড্রোম থাকলে কিছু কোষে স্বাভাবিক ক্রোমোজোম থাকায় ডিম্বাশয় আংশিকভাবে কাজ করতে পারে এবং খুব সীমিত হলেও স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হতে পারে।
টার্নার সিনড্রোমে আক্রান্ত নারীদের গর্ভধারণের ক্ষেত্রে কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে, বিশেষ করে হৃদযন্ত্রের জটিলতা। তাই গর্ভধারণের আগে বিস্তারিত শারীরিক পরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সার্বিকভাবে বলা যায়, টার্নার সিনড্রোমে আক্রান্ত নারীদের স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে মা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে নিরাপদ গর্ভধারণে প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান।










