তবে জেনেটিক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ালে রোগটির ঝুঁকি সম্পর্কে আগে থেকেই জানা, আগাম পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করা সম্ভব হয়। ফলে এর প্রভাব অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

গর্ভধারণের আগে বা গর্ভাবস্থায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনেটিক পরামর্শ নেয়া গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য জেনেটিক ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হয়।

গর্ভাবস্থায় কিছু বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে ভ্রূণের ক্রোমোজমের অবস্থা জানা সম্ভব। কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে ভ্রূণের ক্রোমোজম পরীক্ষা করে টার্নার সিনড্রোমের মতো জেনেটিক সমস্যার উপস্থিতি আগেই শনাক্ত করা যায়। ফলে সময়মতো চিকিৎসা বা প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়।

সচেতনতা মানুষকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করতে উৎসাহিত করে। এতে গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয় এবং ভ্রূণের স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করার সুযোগ বাড়ে।

জেনেটিক রোগ সম্পর্কে সমাজে সচেতনতা বাড়লে মানুষ কুসংস্কার বা ভুল ধারণা থেকে বের হয়ে আসে। ফলে পরিবারগুলো বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ গড়ে ওঠে।

সার্বিকভাবে বলা যায়, জেনেটিক রোগ সম্পর্কে সচেতনতা টার্নার সিনড্রোম পুরোপুরি প্রতিরোধ করতে না পারলেও এর ঝুঁকি সম্পর্কে আগাম ধারণা প্রদান করে। এর মাধ্যমে জেনেটিক পরামর্শ গ্রহণ, গর্ভকালীন পরীক্ষা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। ফলে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো এবং একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।