স্তন ক্যান্সার কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় সে ব্যাপারে প্রতিরোধের নির্দিষ্ট কোনো উপায় নেই। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে ক্যান্সারের ঝুঁকি কিছুটা কমানো যায়। নিয়মিত স্ক্রিনিং করানোর মাধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ে।

স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা: স্থূলতা ও অতিরিক্ত ওজন স্তন ক্যান্সারসহ অন্য ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। সুতরাং সঠিক ওজনে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ নেয়া। মেনোপজের পরে নারীদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই শরীরের ওজন ঠিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে ওজন স্বাভাবিক অবস্থায় পৌঁছতে এবং তা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা: ডায়েটে চর্বিহীন প্রোটিন জাতীয় খাবার রাখা। শাকসবজি, ফলমূল ও পুষ্টিকর খাবার স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে প্রক্রিয়াজাত ও লাল মাংস এড়িয়ে চলতে হবে।

অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা: সম্ভব হলে অ্যালকোহল এড়ানো উচিত বা একটি সীমার মধ্যে সেবন করা উচিত।

পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম করা: এটা প্রমাণিত যে শারীরিক পরিশ্রম স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

নিয়মিত স্ক্রিনিং করা: ম্যামোগ্রামের মাধ্যমে স্তনে গলদ বা টিউমার শনাক্ত করা যায়। লক্ষণ প্রকাশ পেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে স্ক্রিনিং করা যায়।

স্তনের ওপর নিজে নিজে পরীক্ষা করা: কিছু পরীক্ষা আছে, যার মাধ্যমে নিজে নিজে স্তন ক্যান্সারের উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়। তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য উপযুক্ত পরীক্ষার দরকার হয়।