অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি ব্যক্তিভেদে কারণের ভিন্নতা থাকে। তবে এটি কীভাবে নিরাময় করা হবে তা নির্ভর করে রোগের গভীরতা কতটুকু তার ওপর। তবে এ রোগ কিছু ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে চিকিৎসা করাতে হবে। চিকিৎসা করানোর পর যদি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না যায়, সেক্ষেত্রে পুরোপুরি ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

অবস্থা অনুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে রোগীর ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন পড়ে। এ রোগে আক্রান্ত হলে রোগী অত্যধিক মাত্রায় দুর্বল হয়ে পড়ে। অনেক সময় হাঁটতেও কষ্ট হয়। এ অবস্থা পুনরুদ্ধার হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে। হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। বাড়িতেও এ ধরনের রোগীর বিশেষ যত্নের দরকার হয়।

সঠিক সময়ে চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব। কিন্তু একজন রোগী সুস্থ হওয়ার পর আরো বেশি সতর্ক থাকা লাগবে। যেন পুনরায় আক্রান্ত না হয়। এজন্য আক্রান্ত ব্যক্তিকে সুস্থ হওয়ার পরও চিকিৎসকের সান্নিধ্যে থাকা জরুরি। নিয়মিত চেকআপে থাকতে হবে। বিশেষ করে খাবার-দাবারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যদি কোনো কারণে লক্ষণগুলো পুনরায় প্রকাশ পায় তাহলে বিলম্ব করা যাবে না। তাৎক্ষণিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা না হলে এ রোগের তীব্রতা বেড়ে যায়। যার কারণে মৃত্যুঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা হলে এ রোগের তীব্রতা কমে যায়। পাশাপাশি মৃত্যুঝুঁকিও কমে যায়। তবে কেউ আগ থেকেই অন্য রোগে আক্রান্ত থাকলে এ রোগের ভয়াবহতা বেড়ে যায়। যেমন হৃদরোগ। এ ধরনের রোগীদের বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।