নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনের মতে, হরমোন থেরাপিসহ বিস্তৃত চিকিৎসার মাধ্যমে এ পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি হ্রাস করা যেতে পারে।”বিজ্ঞানীরা ২০ বছর ধরে ৬৩ হাজার নারীর ওপর গবেষণা চালিয়েছেন। সবাই প্রচলিত ধরনের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত।
প্রত্যেক রোগীকে ট্যামোক্সিফেন বা অ্যারোমাটিস নিরোধকের মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হয়, যা ইস্ট্রোজেনের প্রভাবকে বাধা দেয় অথবা সেই হরমোনের সরবরাহকে বন্ধ করে দেয়। একটি নির্দিষ্টসংখ্যক নারীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যদিও পাঁচ বছর চিকিৎসার পর তাদের ক্যান্সার চলে গিয়েছিল। পরবর্তী ১৫ বছরে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে গেছে, কারো ক্ষেত্রে রোগ ধরা পড়ার ২০ বছর পরও।
গবেষণায় বলা হচ্ছে, যেসব নারীর আসলেই বড় আকারের টিউমার ও ক্যান্সার চার বা তার বেশিসংখ্যক লসিকাগ্রন্থিতে ছড়িয়ে গেছে, ১৫ বছর পর আবার ক্যান্সার ফিরে আসার ক্ষেত্রে তারা সর্বোচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
যেসব নারী কম, নিম্ন-গ্রেডের ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং তা লসিকাগ্রন্থিতে ছড়ায়নি, তারা এ সময়ের মধ্যে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে অনেক কম মাত্র ১০ শতাংশ ঝুঁকিতে রয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্তন ক্যান্সার অনেক বছর সুপ্ত থাকতে পারে এবং অনেক বছর পর তা আবার ছড়িয়ে যায়। এ ঝুঁকিটি বছরের পর বছর নারীর শরীরে থাকে এবং মূল ক্যান্সারটির আকার ও এটি লসিকাগ্রন্থিতে ছড়িয়ে পড়েছে কিনা সেটির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
চিকিৎসকরা বলেন, পাঁচ বছর ধরে রোগীকে ট্যামোক্সিফেন দিলে তা চিকিৎসা বন্ধ করার পাঁচ বছর পর আবার ক্যান্সার ফিরে আসার ঝুঁকিকে এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে দেয়।
সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হচ্ছে হরমোন থেরাপি ১০ বছর বাড়ানো হলে তা স্তন ক্যান্সারে পুনরায় আবির্ভাব ও মৃত্যু প্রতিরোধে কার্যকর হতে পারে।
অ্যারোমাটিস নিরোধক, যা শুধু মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। তা এক্ষেত্রে অধিক কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু হরমোন চিকিৎসার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে যেটি কিনা রোগীর জীবনমানকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তাদের পিল গ্রহণ করাকে বন্ধ করে দিতে পারে।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে মেনোপজাল সিমটমস, অস্টিওপোরোসিস, জয়েন্ট পেইন এবং কার্পাল টানেল সিনড্রোম।










