ভালো ঘুম হওয়া জরুরি। কম ঘুম হৃদরোগ এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। শিশুদের ক্ষেত্রে আরো বেশি ঘুমের প্রয়োজন। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করতে হবে। ঘুমের সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য খাদ্যতালিকায় কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। যেমন ফল, শাকসবজি, শস্যদানা, হাঁস-মুরগি, মাছ ও কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার বেছে নিতে হবে। প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম পান করা, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ট্রান্স ফ্যাট খাওয়া।
লবণ খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেয়া। প্রক্রিয়াজাত মাংস, টিনজাত খাবার, স্যুপ, হিমায়িত খাবার এবং রেস্টুরেন্টে তৈরি বিভিন্ন ধরনের রুটিতে লবণ যুক্ত থাকে। প্রক্রিয়াজাত খাবারে কী পরিমাণ লবণ থাকে তা খাবারের গায়ে থাকা লেবেলে দেখে নেয়া জরুরি। সোডিয়াম বেশি থাকা খাবার এবং পানীয় সীমিত আকারে গ্রহণ করতে হবে। প্রতিদিন ১ হাজার ৫০০ মিলিগ্রাম বা তার কম সোডিয়াম গ্রহণ বেশির ভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য যথেষ্ট বলে মনে করা হয়।
অ্যালকোহল গ্রহণ সীমিত করা। অ্যালকোহল গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। কেউ যদি অ্যালকোহল গ্রহণ করতে চান, তাহলে সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে।
ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। তামাক রক্তনালির দেয়ালে আঘাত করে এবং ধমনির শক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। যদি উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তির ওজন বেশি থাকে বা স্থূলতা থাকে, তাহলে অবশ্যই তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
নিয়মিত ব্যায়াম করা। নিয়মিত ব্যায়াম শরীরকে সুস্থ রাখে। এটি রক্তচাপ কমাতে, চাপ কমাতে, ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি কমাতে পারে।
ভালো ঘুম হওয়া জরুরি। কম ঘুম হৃদরোগ এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। শিশুদের ক্ষেত্রে আরো বেশি ঘুমের প্রয়োজন। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করতে হবে। ঘুমের সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এমন কাজ করতে হবে।










